মঙ্গলবার, অক্টোবর ৪, ২০২২

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

যেভাবে চলবে ঢাবি অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম

অধিভুক্ত হওয়ায় এখন থেকে ওইসব কলেজের ভর্তি পরীক্ষা, শিক্ষা কার্যক্রম, একাডেমিক পরীক্ষা, ফলাফল প্রণয়ন এবং সিলেবাস প্রণয়ন সবকিছুই থাকবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। কলেজগুলো হলো: ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর সরকারি বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজ।

এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা সনদও পাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের। তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থী এবং অধিভুক্ত কলেজসমুহের শিক্ষার্থীদের সনদে পার্থক্য থাকবে।

বিষয়টি স্পষ্ট করে ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. আআমস আরেফিন সিদ্দিক বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকে সে কোন হলের শিক্ষার্থী এবং কোন বিভাগ থেকে পাশ করেছে। আর ওইসব কলেজের শিক্ষার্থীদের সনদে লেখা থাকবে সে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত কলেজের (স্ব স্ব কলেজের নাম) কোন বিষয় থেকে পাশ করেছে সেটা।’

অধিভুক্ত হওয়া মানেই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হয়ে যাওয়া না, বিষয়টি স্পষ্ট করে উপাচার্য বলেন, আমাদের অধিভুক্ত কলেজের সংখ্যা এখন ১০৪টি। নতুন সাতটি যোগ হওয়ায় এ সংখ্যা এখন ১১১টি হবে। অন্য কলেজগুলোর শিক্ষা কার্যক্রম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যেভাবে পরিচালনা করে আসছিল এ কলেজগুলোর কার্যক্রমও সেভাবে পরিচালিত হবে, নতুন কিছু না।

এই সাতটি কলেজ যুক্ত হওয়ার আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত ১০৪টি কলেজ ও ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী সংখ্যা ৪০ হাজার ৬৯৮ জন, শিক্ষক ৭ হাজার ৫৯১ জন। নতুন সাতটি কলেজের মোট অনার্স ও মাস্টার্স পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী সংখ্যা এক লাখ ৬৭ হাজার ২৩৬ এবং শিক্ষক সংখ্যা এক হাজার ১৪৯।

ফলে নিজস্ব ৩১ হাজার ৯৫৫ জন শিক্ষার্থীর বাইরে আরও ২ লাখ ৮ হাজার শিক্ষার্থীর দেখভালের দায়িত্ব এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঁধে।

সনদে পার্থক্য
নতুন অধিভুক্ত হওয়ার সাতটি কলেজ থেকে পাশ করে যাওয়া শিক্ষার্থীরা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ পেলেও এখন থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা পাবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ। তবে সেই সনদ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের সনদ থেকে সম্পুর্ণ আলাদা হবে। কারণ সনদে স্ব স্ব কলেজ এবং বিভাগের নাম স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে বলে চ্যানেল আই অনলাইনকে জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

অধিভুক্ত কলেজগুলোর শিক্ষার্থীদের সনদপ্রাপ্তির ব্যাপারে ঢাকা কলেজর অধ্যক্ষ অধ্যাপক মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, এখন থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সবকিছু পরিচালিত হওয়ায় এখনও যারা পাশ করে বের হয়ে যায়নি তারা সবাই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবর্তে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইস্যু করা সনদ পাবে।

শিক্ষার মানোন্নয়নেই সরকারের এ সিদ্ধান্ত
অধিভুক্তিকরণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের দাবি, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে সরকারি কলেজগুলোর উচ্চ শিক্ষার মান আশানুরুপ উন্নতি না হওয়ার কারণে সরকারি কলেজগুলোকে আবারো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্তিকরণের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, ১৯৯২ সালে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হওয়ার আগ পর্যন্ত এসব কলেজসহ রাজধানী ও আশেপাশের প্রায় সব সরকারি কলেজের শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর থেকে তা ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে চলে যায়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

‘ভোমরা স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ বন্দর করা হবে’ : নৌ-পরিবহন প্রতিমন্ত্রী

সাতক্ষীরা ভোমরা স্থলবন্দর উন্নয়ন ও পরিচালনা গতিশীলতা আনয়নের নিমিত্ত গঠিতবিস্তারিত পড়ুন

টিকাদানের সাফল্যে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী

টিকাদানের সাফল্যে ‘ভ্যাকসিন হিরো’ পেলেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলাদেশে টিকাদান কর্মসূচি একটিবিস্তারিত পড়ুন

সর্বজনীন স্বাস্থ্য কর্মসূচির অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার আহ্বান

জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে এসেবিস্তারিত পড়ুন

  • রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হচ্ছে চীন
  • ইউপি নির্বাচন : চেয়ারম্যান-মেম্বারদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বিষয়টি ‘গুজব’
  • বাংলাদেশের নর্দান ইউনিভার্সিটি ও কানাডার কর্টলার ইন্টারন্যাশন্যাল, রেসিন্ট ইন্টারন্যাশন্যালের মধ্যে সমঝোতা চুক্তি
  • চতুর্থ ড্রিমলাইনার ‘রাজহংস’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ৩৭টি পদক লাভ
  • ড. কালাম ‘এক্সিলেন্স এওয়ার্ড’ গ্রহণ করেই দেশবাসীকে উৎসর্গ করলেন প্রধানমন্ত্রী
  • তৃণমূল থেকে সংগঠনকে গড়ে তুলতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
  • মোবাইল ছিনতায়কারীকে দৌড়ে ধরলেন ম্যাজিস্ট্রেট
  • কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শোভন-রাব্বানির ভাগ্য নির্ধারণ
  • পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী
  • পুলিশের ব্যাংকের যাত্রা শুরু
  • বিএনপি অর্থ-সম্পদ অর্জনে বেশি ব্যস্ত ছিল: প্রধানমন্ত্রী