রবিবার, এপ্রিল ১৪, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরার সর্বাধুনিক অনলাইন পত্রিকা

শিশুদের আইকিউ বাড়ানোর কয়েকটি সহজ উপায়

আইকিউ অর্থাৎ বুদ্ধি তীক্ষ্ম না হলে এখন প্রতিযোগিতার দুনিয়ায় টেকা দায়। কিন্তু শিশুদের আইকিউ কীভাবে বাড়ানো যায়? খুব সহজ কিছু উপায় দেখিয়েছেন শিশু বিশেষজ্ঞ ক্যারেন কুইন।

সব বিষয়ে কথা বলুন…

আপনার সন্তানের সঙ্গে সম্ভব হলে সব বিষয়েই কথা বলবেন। এতে অল্প অল্প করে জ্ঞান তো বাড়বেই, পাশাপাশি ভাষায় দক্ষতাও বাড়বে। শিশু বেশি কথা বললেই ভালো। কথা বলায় নিরুৎসাহিত করা তাদের বিকাশের জন্য ক্ষতিকর।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব শিশু খুব কম কথা বলে, তাদের তুলনায় বেশি কথা বলতে অভ্যস্ত শিশুদের বুদ্ধি অন্তত ২৮ পয়েন্ট বেশি।

ভাবনা আর দেখার জগতটা বড় করুন

নানা ধরনের রং, বিভিন্ন আকৃতির বস্তু, নানা রকমের ফল এবং প্রাণী দেখাতে হবে শিশুদের। স্কুলে যদি সে ব্যবস্থা থাকে তাহলে তো কথাই নেই। তবে নিজেও এমন কিছু বই কিনে দিন, যা পড়ে বা যেসব বইয়ের ছবি দেখে শিশু এ সব সম্পর্কে জানতে পারে।

গুনতে শেখান

বাচ্চাদের খুব সহজেই গুনতে শেখানো যায়। এই যেমন যদি বলেন, “পাঁচ মিনিটের মধ্যে খাবার তৈরি হয়ে যাবে”– তাহলে কিন্তু শিশু ৫ সংখ্যাটার সঙ্গে পরিচিত হলো।

যদি বলেন, “তোমার তিনটা চকলেট আছে, আমার আছে দুটো” – তাহলে আপনি ওকে ২ আর ৩ শিখতে সহায়তা করলেন।

চকলেট যদি হাতে নিয়ে দেখান – তাহলে ওরা আরো উৎসাহ নিয়ে সংখ্যাগুলো শেখার সঙ্গে সঙ্গে গুণতেও শিখবে।

স্মৃতি পরীক্ষা

কোনো বই পড়া শেষ হলে আপনার সন্তানকে বইয়ের গল্পটা নিজের মতো করে বলতে বলুন। এভাবে শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়। স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর আরো সহজ উপায়ও আছে। টেবিলের ওপর কিছু ক্যান্ডি রেখে সন্তানকে দেখান। দেখা হয়ে গেলে ক্যান্ডিগুলো কাগজ বা কাপড় দিয়ে ঢেকে দিন। তারপর ওকে বলুন টেবিলের ফাঁকা জায়গায় সমান সংখ্যক চকলেট ক্যান্ডির মতো সাজিয়ে রাখতে৷ এভাবেও শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানো যায়।

খেলনা

পাজল, লেগো কাঠের তৈরি নানা ধরণের ব্লক – এসব বাচ্চাদের জন্য স্রেফ খেলনা হলেও, ওদের বুদ্ধাঙ্ক বা আইকিউ বৃদ্ধিতে খুব ভালো ভূমিকা রাখে।

সমস্যার সমাধান

নিজের কাপড় নিজেকেই পরতে দিন। খুব বেশি সময় লাগছে? বিরক্ত হবেন না। ওকে সময় দিন, ওর মতো করে কম সময়ে কাজটা শেষ করার সুযোগ দিন। ধীরে ধীরে ও সমস্যাটার একটা সমাধান ঠিকই বের করবে। এভাবে রাতের খাবারে কী কী খাওয়া যায়, ও কোথায় বেড়াতে যেতে চায় – এ ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগও দিন বাচ্চাদের। এর ফলে ওদের চিন্তা করা এবং সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বাড়বে।

সৃষ্টিশীল কাজ

বাসায় ছবি আঁকার কাগজ, রং, তুলি, কাঁচি, আঠা, ব্রাশ – এসব রাখতে ভুলবেন না। এ ধরনের জিনিস নিয়ে খেলতে খেলতেও অনেক শিশু সৃষ্টিশীল কাজে আগ্রহী হয়ে ওঠে। পরবর্তী জীবনে এই আগ্রহটাই হয়ত ওকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

এবার বাংলাদেশেও ভাঙল প্রচলিত নিয়ম, যাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে বরের বাড়িতে কনে!

এবার বাংলাদেশেও ভাঙল প্রচলিত নিয়ম, যাত্রী নিয়ে বিয়ে করতে বরেরবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের সাথে পুষ্টি বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক

কলারোয়ায় উপজেলা পর্যায়ে সাংবাদিকদের সাথে পুষ্টি বিষয়ে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিতবিস্তারিত পড়ুন

ভালোবাসার সুড়ঙ্গ রহস্য (ভিডিও)

প্রকৃতি অপার রহস্যের ভান্ডার। তাই সে মাঝে মাঝেই আমাদের চমকেবিস্তারিত পড়ুন

  • কিডনি রোগ প্রতিরোধ ও প্রতিকারের উপায়
  • ঝুঁকি নিয়ে ছবি তুলে আলোচনায় দম্পতি
  • এক বছর পরও নড়াচড়া করে মৃতদেহ!
  • সেলফি তোলায় ছড়াচ্ছে উকুন!
  • আলসেমি দূর করার উপায়
  • রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে উপকারী আমড়া
  • সেলফির কারণে দ্রুত ছড়াচ্ছে উকুন!
  • হৃদরোগ প্রতিরোধের সহজ মন্ত্র
  • কাশ্মীরের একটি গ্রামের নাম ‘বাংলাদেশ’
  • ফেসবুকে নতুন ফিচার চালু, ডিলিট হবে সবকিছু
  • ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তায় ফেসবুকে নতুন ফিচার
  • সৌরশক্তিতেই চলবে শাওমি